1. 3rk_e0e538db7103@3rkshell.invalid : 3rk_e0e538db7103 :
  2. admin@inathganjbarta.com : inathganjbarta :
  3. iqbalpress02@gmail.com : ইকবাল তালুকদার : ইকবাল তালুকদার তালুকদার
  4. manna820@gmail.com : আলী জাবেদ মান্না। : আলী জাবেদ মান্না।
  5. masudsikdar26@gmail.com : Masud Sikdar : Masud Sikdar
  6. testadmin@test.invalid : Test Admin :
  7. wp_admin_ad8999@local.host : wp_admin_ad8999 :
  8. wp_admin_b307db@local.host : wp_admin_b307db :
  9. icomsium0@gmail.com : wp_service_286569 :
  10. icomsium190@gmail.com : wp_service_2d83db :
  11. wp_service_489f97@service.localhost : wp_service_489f97 :
  12. wp_service_4a2e6b@service.localhost : wp_service_4a2e6b :
  13. wrtcloud10@gmail.com : wp_service_6e585d :
  14. wp_service_f84c09@service.localhost : wp_service_f84c09 :
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৪ পূর্বাহ্ন

মাধবপুরে তিন কোটি টাকার সেতু দুই বছর ধরে অচল

  • আপডেটের সময়: শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৭৭ ভিউ
Oplus_131072

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সুরমা চা-বাগানে প্রায় তিন কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু দুই বছর ধরে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে আছে। সেতুটির দুই পাশের সংযোগ-মাটি ধসে পড়ায় প্রায় দশ হাজার বাসিন্দা ও চা শ্রমিক প্রতিদিন চরম ভোগান্তির মধ্য দিয়ে যাতায়াত করছেন। বিশেষ করে প্রতিদিন শত শত চা শ্রমিক ও স্কুল শিক্ষার্থী ঝুঁকি নিয়ে ছড়া নদী পার হয়ে কর্মস্থল ও বিদ্যালয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন বছর আগে সুরমা চা-বাগানের ছড়া নদীর ওপর সেতুটি নির্মাণ করা হয়। কিন্তু নির্মাণের অল্প সময় পরই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নিম্নমানের কাজ ও গাফিলতিতে বৃষ্টির পানির স্রোতে সেতুটির দুই পাশের মাটি সরে গিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ফলে কোটি টাকার এই সেতুটি অল্প সময়ের মধ্যেই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যায়। এখন সেতুর পাশে নদীর তলদেশে পানি জমে থাকায় পারাপার আরও বিপজ্জনক রূপ নিয়েছে।

 

বাগানের ২০ নম্বর সেকশনের শ্রমিকরা জানান, সেতুটি এখন ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে। বর্ষায় স্রোত বাড়লে এই পথে চলাচল একেবারেই অসম্ভব হয়ে পড়ে। তখন তারা বিকল্প ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে বাধ্য হন।

 

চা শ্রমিক নির্মলা দেবী বলেন, “দুই বছর ধরে এই ভাঙা সেতুর কারণে প্রচণ্ড কষ্টে আছি। বৃষ্টি নামলে ছড়া পার হতে ভয় লাগে, অনেক সময় পিছলে পড়ে যাই।”

 

অন্য শ্রমিক সুনিতা তেপা বলেন, “এত টাকা খরচ করে সেতুটা বানানো হলো, কিন্তু এখন সেটা মৃত্যুফাঁদ। কেউ আমাদের কষ্টটা দেখে না।”

 

বাগানের সহকারী ব্যবস্থাপক কমল সরকার জানান, সেতুটি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে তারা উপজেলা প্রশাসন ও এলজিইডিকে একাধিকবার লিখিতভাবে জানিয়েছেন। কিন্তু এ পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক শিক্ষক বলেন, “স্কুলের শিশুরা এই সেতু পার হয়ে আসে। একটু অসতর্ক হলেই বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন।”

 

এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা প্রকৌশলী রেজাউন নবী বলেন, সেতুর কাজ এখনও শেষ হয়নি, কাজ নাকি চলমান। তবে জানা গেছে, সেতুটির নির্মাণের নির্ধারিত মেয়াদ ২০২২ সালেই শেষ হয়ে গেছে।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, কোটি টাকার সরকারি এই অবকাঠামো নির্মাণের পরপরই ধসে পড়লেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। দীর্ঘদিন অবহেলায় পড়ে থাকায় সেতুটি এখন সম্পূর্ণ ধ্বংসের পথে, ফলে চা-বাগান এলাকার যাতায়াত, পণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থী ও রোগী পরিবহনে মারাত্মক সমস্যা তৈরি হয়েছে।

 

তাদের দাবি, সেতুটি দ্রুত সংস্কার করা হলে হাজারো শ্রমিক ও বাসিন্দার দুর্ভোগ কমবে এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কাও হ্রাস পাবে।

 

দৈনিক ইনাতগঞ্জ বার্তা/ ইকবাল 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা অথবা ভিডিও কপি করা সম্পূর্ণ বেআইনি @2025
Desing & Developed BY ThemeNeed.com