ইনাতগঞ্জ বার্তা ডেস্কঃ টুর্নামেন্ট শুরুর আগের দিন হঠাৎই মালিকানা ছেড়ে দেয় চট্টগ্রাম রয়্যালস ফ্র্যাঞ্চাইজ। ফলে অনিশ্চয়তায় পড়ে যায় তাদের অংশগ্রহণ। সেখান থেকে বিসিবি মালিকানা নিলে মজা করে দলটির নাম হয়ে যায় ‘কমিটির দল।’ সেই কমিটির দলই এখন সবাইকে টপকে সবার আগে চলে গেল ফাইনালে।
মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে ৬ উইকেটে হারায় চট্টগ্রাম। ১৩৪ রানের লক্ষ্য ৩ বল বাকি থাকতে ছুঁয়ে ফেলে চট্টগ্রাম। বল হাতে ২ উইকেট নেওয়ার পর ব্যাট হাতে ৯ বলে ১৯ রানের ইনিংস খেলে চট্টগ্রামের জয়ের কারিগর অধিনায়ক শেখ মেহেদি হাসান। এই জয়ে সরাসরি ফাইনালে চট্টগ্রাম। আর দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে বুধবার সিলেট টাইটান্সের মুখোমুখি হবে রাজশাহী। রান তাড়ায় শুরু থেকেই মন্থর ব্যাটিং করেন মোহাম্মদ নাঈম শেখ ও মির্জা বেগ। দুজনের ওয়ানডে ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লেতে আসে মাত্র ৩১ রান। পরে ১২তম ওভারে নাঈমের বিদায়ে ভাঙে ৬৪ রানের জুটি। ৩৮ বলে ৩০ রান করেন বাঁহাতি ওপেনার।
তিন নম্বরে নেমে ঝড় তোলার চেষ্টা করেন হাসান নাওয়াজ। তবে ১৪ বলে ২০ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। এরপর আসিফ আলি ফিরে যান ৮ বলে ১১ রানের ইনিংস খেলে। শুরু থেকে ধীর ব্যাটিং করে ১৯তম ওভারে আউট হন ৪৭ বলে ৪৫ রান করা মির্জা। পরে শেষ ওভারে রিপন মন্ডলের বলে ছক্কা মেরে দলের জয় নিশ্চিত করে দেন শেখ মেহেদি হাসান। মাত্র ৯ বলে ১৯ রানের ইনিংস খেলেন চট্টগ্রাম অধিনায়ক।
রাজশাহীর পক্ষে ২০ রানে ২ উইকেট নেন আব্দুল গাফফার সাকলাইন। এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে রয়েসয়ে শুরু করেন সাহিবজাদা ফারহান ও তানজিদ হাসান তামিম। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে আউট হন ১৯ বলে ২১ রান করা সাহিবজাদা। পরে নবম ওভারে পরপর দুই বলে নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিমকে আউট করেন শেখ মেহেদি হাসান। এরপর আকবর আলি, জিমি নিশাম, রায়ান বার্লরাও হতাশ করেন। একপ্রান্ত ধরে রেখে খেলতে থাকা তামিমও ৩৭ বলে ৪১ রান করে আউট হয়ে যান। মাত্র ৯৮ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রাজশাহী। পরে শেষ দিকে তাণ্ডব চালান আব্দুল গাফফার সাকলাইন। ২ চারের সঙ্গে ৩টি ছক্কায় ১৫ বলে তিনি খেলেন ৩২ রানের ইনিংস। রিপন মন্ডলের ব্যাট থেকে আসে ১০ রান। রাজশাহী পেয়ে যায় লড়াই করার পুঁজি। চট্টগ্রামের পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন শেখ মেহেদি হাসান ও আমির জামাল।
Leave a Reply