ইনাতগঞ্জ বার্তা ডেস্কঃ কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিক ও তাদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদানকে সরকার মানবিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে বিবেচনা করে আসছে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। রোববার (৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য নাসির উদ্দিন আহমেদের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে মন্ত্রী এ কথা জানান। এসময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। রোববারের প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী বলেন, দেশের শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণ, নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত কার্যক্রম। বিশেষ করে কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিক ও তাদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদানকে সরকার মানবিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে বিবেচনা করে আসছে।
এ লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন আইন, ২০০৬ (সংশোধিত ২০১৩)’ এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালার আওতায় কর্মরত অবস্থায় দুর্ঘটনায় কোনো শ্রমিক নিহত বা স্থায়ীভাবে অক্ষম হলে সংশ্লিষ্ট শ্রমিক বা তার পরিবারকে এককালীন অনধিক ২ লাখ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ ও সংশ্লিষ্ট বিধিমালার আওতায় মোটরযান দুর্ঘটনায় হতাহতদের ক্ষেত্রেও ১ লাখ থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তার বিধান রয়েছে। বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদানের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার ইলাছ মিয়া, চিকিৎসা সহায়তা হিসেবে ৮০ হাজার টাকা অনুদান পেয়েছেন। এছাড়া মৌলভীবাজার-১ (জুড়ী ও বড়লেখা) নির্বাচনী এলাকায় সর্বমোট ১৪ জন শ্রমিক ও তাদের পরিবারের অনুকূলে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। সরকার ভবিষ্যতেও দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিক ও তাদের পরিবারের আর্থিক সুরক্ষা জোরদার এবং শ্রমিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলে জানান শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী।
এছাড়াও, বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী মালিকপক্ষ দুর্ঘটনায় আহত বা নিহত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ প্রদানে আইনগতভাবে বাধ্য।
Leave a Reply