1. admin@inathganjbarta.com : inathganjbarta :
  2. iqbalpress02@gmail.com : ইকবাল তালুকদার : ইকবাল তালুকদার তালুকদার
  3. manna820@gmail.com : আলী জাবেদ মান্না। : আলী জাবেদ মান্না।
  4. masudsikdar26@gmail.com : Masud Sikdar : Masud Sikdar
৬৫ কিমি কমবে ঢাকার দূরত্ব, এগোচ্ছে শাল্লা–জলসুখা মহাসড়ক - Inathganjbarta দৈনিক ইনাতগঞ্জ বার্তা
রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জৈন্তাপুরে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১টি এয়ারগান উদ্ধার সিলেটে ইয়াবা ও মদসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নবীগঞ্জে সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপির ২৫ নেতা বহিষ্কার সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত নবীগঞ্জে সেনাবাহিনীর অভিযানে ইয়াবাসহ নুরুল আমিন গ্রে’ফতার নবীগঞ্জে মানসিক রোগে আক্রান্ত যুবকের আ*ত্মহত্যা হবিগঞ্জ-১ আসনে শেখ সুজাত মিয়াকে ভোট দেওয়ার আহ্বান প্রবাসী সমাজসেবক গোলাম রব্বানীর হবিগঞ্জ-১ এ রেজা-সুজাতের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, সরগরম নির্বাচনী মাঠ মাধবপুরে ১৬ লাখ টাকার ভারতীয় জিরা জব্দ নবীগঞ্জে আওয়ামীলীগ নেতার লোকজনের হামলায় রক্তাক্ত সাংবাদিক পরিবার

৬৫ কিমি কমবে ঢাকার দূরত্ব, এগোচ্ছে শাল্লা–জলসুখা মহাসড়ক

  • আপডেটের সময়: সোমবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১১৯ ভিউ

স্টাফ রিপোর্টারঃ সুনামগঞ্জ জেলার সবচেয়ে প্রত্যন্ত উপজেলা শাল্লাবাসীর বহুদিনের স্বপ্নের যোগাযোগ সড়কের কাজ শুরু হয়েছিল ২০২৩ সালের মে মাসে। পরিকল্পনা কমিশন ও সড়ক পরিবহন উইংয়ের আওতায় সুনামগঞ্জ–মদনপুর–দিরাই–শাল্লা–জলসুখা–আজমিরীগঞ্জ–হবিগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের শাল্লা–জলসুখা অংশ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় এই সড়কটি আঞ্চলিক মহাসড়কের রূপ নিচ্ছে।

বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। হাওর এলাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলার মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপন করা। এর ফলে আঞ্চলিক আর্থসামাজিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এই সড়ক চালু হলে সুনামগঞ্জের মদনপুর–দিরাই–শাল্লা–আজমিরীগঞ্জ–সরাইল হয়ে ঢাকায় যাতায়াতের একটি নতুন বিকল্প পথ তৈরি হবে। এতে সুনামগঞ্জ থেকে ঢাকার দূরত্ব প্রায় ৬৫ কিলোমিটার কমে আসবে।

এর আগে শাল্লার প্রায় দুই লাখ মানুষের দাবির প্রেক্ষিতে ২০১১ সালে প্রথমবারের মতো সড়কটির কাজ শুরু হয়। ২০১৭ সালে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রকল্পটি তখন সম্পূর্ণ হয়নি। ওই সময় প্রায় ৯২ কোটি টাকার বিল উত্তোলন হলেও সড়কটি যানবাহন চলাচলের উপযোগী হয়নি। হাওরের ঢেউয়ে সড়কের বিভিন্ন অংশ বিলীন হয়ে পড়ে, ফলে প্রকল্পটি অসম্পূর্ণ অবস্থায় পড়ে থাকে। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে চলমান এই প্রকল্পের আওতায় সুনামগঞ্জের দিরাই থেকে হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ৩৭ কিলোমিটার আঞ্চলিক মহাসড়ক এবং ১৯টি সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে। জনজেবি এসবিএস ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানসহ যৌথভাবে আরও চারটি প্রতিষ্ঠান কাজ বাস্তবায়ন করছে।

২০২২–২৩ অর্থবছরে প্রকল্পের কাজ শুরু হলেও হাওরাঞ্চলের বন্যাকবলিত এলাকা হওয়া এবং নির্মাণসামগ্রীর দাম বেড়ে যাওয়ায় কাজে ধীরগতি দেখা দেয়। প্রাথমিকভাবে ২০২৬ সালের জুন মাসে প্রকল্প শেষ করার লক্ষ্য থাকলেও সময় বাড়িয়ে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।সরেজমিনে দেখা গেছে, সুনামগঞ্জের কাঠইর–মদনপুর এলাকার সেতুসহ দিরাই–শাল্লা–আজমিরীগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ১৪টি সেতুর কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। সড়কের অধিকাংশ অংশের দৃশ্যমান কাজ সম্পন্ন হয়েছে।শাল্লা উপজেলার বাসিন্দা রনি চৌধুরী বলেন, ‘এই সড়কটি হলে আমাদের দিরাই–শাল্লাবাসীর দীর্ঘদিনের কষ্ট দূর হবে। এখন ঢাকায় যেতে প্রায় আট ঘণ্টা সময় লাগে। সড়কটি চালু হলে অন্তত চার ঘণ্টা সময় কমবে।’ তিনি বলেন, হাওরাঞ্চলে উৎপাদিত ধান ও মাছ ঢাকায় সহজে নেওয়া যাবে, এতে ন্যায্যমূল্য পাওয়া সম্ভব হবে। দিরাই উপজেলার বাসিন্দা শঙ্কর দেব বলেন, ‘এই সড়ক হলে ঢাকায় কম সময়ে যাতায়াত করা যাবে। হাওরাঞ্চলের জন্য এটি একটি দৃষ্টিনন্দন ও গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হবে।’

কাশিপুর গ্রামের বাসিন্দা মোবাশ্বির আলী বলেন, ‘সড়কটি আমাদের গ্রামের পাশ দিয়ে গেলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। বেকার যুবকেরা গাড়ি চালিয়ে আয় করতে পারবে। আমাদের ধান ও মাছ ঢাকায় সহজে পৌঁছাবে।’ এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আশরাফুল হামিদ বলেন, মদনপুর–দিরাই–শাল্লা–আজমিরীগঞ্জ সড়কটি দুটি প্রকল্পের আওতায় উন্নয়ন করা হচ্ছে। প্রায় ৩৭ কিলোমিটার সড়কের কাজ জনজেবি এসবিএসসহ পাঁচটি প্রতিষ্ঠান বাস্তবায়ন করছে।

তিনি বলেন, শাল্লা উপজেলার জলসুখা অংশে প্রায় ৭০ শতাংশ এবং দিরাই–শাল্লা অংশে প্রায় ৬০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। হাওরাঞ্চল হওয়ায় বছরে চার থেকে পাঁচ মাসের বেশি কাজ করা যায় না। এ কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি।আশরাফুল হামিদ আরও বলেন, ‘ভারতের মেঘালয় রাজ্য থেকে নেমে আসা ঢলের পানি দ্রুত নিষ্কাশনের জন্য এই সড়কে বেশি সংখ্যক ক্রস ড্রেন রাখা হয়েছে। নির্মাণসামগ্রীর সংকট ও মাটি-বালির স্বল্পতার কারণে কাজ কিছুটা ধীর হয়েছে। এরপরও আমরা আশা করছি, ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা যাবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা অথবা ভিডিও কপি করা সম্পূর্ণ বেআইনি @2025
Desing & Developed BY ThemeNeed.com